• বরফের তৈরি হোটেল । WikiHowBD

    WikiHowBD

  • রাশিয়া প্লুটোর চেয়ে বড় । WikiHowBD

    WikiHowBD

  • নেপালের পতাকা । WikiHowBD

    WikiHowBD

  • Kawsar mahmud – cartoonist cartoon memes photos picture WikiHowBD

    WikiHowBD

  • আগুনের ছায়া নেই । WikiHowBD

    WikiHowBD

  • অ্যাথলেটিক্স এর নিয়ম । WikiHowBD

    WikiHowBD

  • চাঁদ প্লুটোর চেয়েও বড় ! WikiHowBD

    WikiHowBD

  • সৌদি আরবে কোন নদী নেই । WikiHowBD

    WikiHowBD

  • মি. বিন ও প্রিন্সেস ডায়না মুখোমুখি । WikiHowBD

    WikiHowBD

  • CARTOON NETWORK WikiHowBD

    WikiHowBD

  • বিস্তারিত জানতে আমাদের নতুন ভিডিওটি দেখুন :- WikiHowBD

    WikiHowBD

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি দুর্লভ ছবি WikiHowBD

    WikiHowBD


On Wednesday, May 20th, 2015, US Senator Rand

Paul began a ten-hour speech on the Senate

floor, which many referred to as a “filibuster”.

The long debate centered on the topic of NSA

spying and was intended to delay the upcoming

extension of the Patriot Act.

What is a filibuster in congress

But besides garnering media attention, filibusters

seem like a waste of time.

So what is a filibuster?

Well, that’s exactly what they are: a waste

of time.

Basically, a filibuster is any procedural

action that delays a vote in the Senate.

The most well known examples of filibusters

are when a senator, or group of senators,

takes the Senate floor for a speech and does

not yield it until three-fifths of the senate

agree to end the filibuster.

What this essentially means is that instead

of a bill passing by a simple majority of

51, any senator can pause a bill’s passage

until 60 senators agree to end the filibuster.

This is called a “cloture” (KLOH-cher).

Filibusters are particularly useful for bills

that are expected to pass by a narrow margin,

or which are especially controversial.

However, a senator does not actually have

to take the floor, or even make themselves

known in order to start a filibuster.

Just the threat of a filibuster is enough

to force a vote to see if they can gather

a potential cloture, or 60 senators, to oppose

it.

If a senator does decide to take the floor,

there are a few rules they must follow for

the filibuster to be considered active.

They have to stay standing the whole time,

and can’t leave the Senate floor.

They also can’t consume anything except

for water or milk, and can’t leave to go

to the bathroom.

The only way to catch a break is to yield

time to a supporting Senator who will in turn

ask a long question, while the original senator

takes care of personal business.

One example of a successful filibuster was

in 1946, when a number of senators delayed

the passage of an anti-discrimination bill,

and the bill’s supporters were unable to

gather enough senators to call for a cloture.

This meant that the only way to end the filibuster

and get back to work was to drop the bill

from consideration, so the bill was abandoned.

Another example, and perhaps the most famous,

was when South Carolina’s Strom Thurmond

took the floor for more than 24 hours against

the 1957 Civil Rights Act.

Despite being the longest individual filibuster

ever, the bill still ended up passing after

he was done.

Now, technically, because Senator Paul ended

his speech before midnight, it wasn’t actually

a filibuster because it didn’t delay any

Senate business and wasn’t during a debate

about the Patriot Act itself.

May 20th was a waiting period for a trade

agreement, so no actual business was disrupted.

However, in terms of garnering media attention

and cementing a talking point for the 2016

elections, this filibuster certainly served

it’s purpose.

Filibustering is an important, if controversial,

part of our political process.

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

What is a matzo ball

Matzah balls or matzo balls are Ashkenazi Jewish soup dumplings made from a mixture of matzah meal, beaten eggs, water, and a fat, such as oil, margarine, or chicken fat. Matzah balls are traditionally served in chicken soup and are a staple food on the Jewish holiday of Passover.

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
WikiHowBD  Silver is feeling Happy
1 month ago
নদ ও নদীর পার্থক্য
কোনও জলপ্রবাহের নাম যদি মহিলাবাচক হয় তাহলে নদী এবং পুরুষবাচক হলে নদ। গঙ্গা, সরস্বতী, যমুনা, পদ্মা, গৌরী, ভাগীরথী, চিত্রা, নর্মদা, কাবেরী, কৃষ্ণা কর্ণফুলী প্রভৃতি মহিলাবাচক নাম, তাই নদী লেখা হয় নদ ও নদীর পার্থক্য। কপোতাক্ষ, ব্রহ্মপুত্র, নারদ, ভৈরব, কুমার, মুসা খান, মির্জা মাহমুদ প্রভৃতি পুরুষবাচক নাম, তাই নদ লেখা হয়। অনেকে মনে করেন, যে জলস্রোতের নামের শেষে আ-কার কিংবা ই-কার থাকে তাকে নদী বলা হয়। অন্যদিকে যে জলস্রোতের নামের শেষে আ-কার কিংবা ই-কার থাকে না তাদের নদ বলে। যেমন-তুরাগ, কপোতাক্ষ, ব্রহ্মপুত্র, নীল, বালু, সাঙ্গু প্রভৃতি নদ নামে পরিচিত।
তবে এ সূত্রের কিছুটা ব্যতিক্রম ও বিতর্ক লক্ষণীয়। সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সূত্র হল : নামের শেষে যদি আকার, একার, ওকার, ঔকার প্রভৃতি থাকে তবে নিশ্চিতভাবে সে প্রবাহগুলো নদী নামে অভিহিত হবে। নামের শেষে এগুলো না-থাকলে এবং শুধু হ্রস্ব উ-কার থাকলে সেটি নদ হবে। যেমন : ‘আড়িয়ালখাঁ’ পুরুষজ্ঞাপক নাম হলেও শেষে আকার রয়েছে। সে জন্য এটি নদ না হয়ে নদী। কিন্তু ‘মুসা খান’ নামের অন্ত-বর্ণ ‘দন্ত্য-ন’-এর পরে আকার একার কিছু নেই, এ জন্য এটি নদ। ‘সিন্ধু’ বানানের শেষে যেহেতু হ্রস্ব উ-কার রয়েছে, সেহেতু এটি নদ। একইভাবে ‘বালু’ একটি নদ। ‘নীল’ স্ত্রী নাম জ্ঞাপক একটি প্রবাহ নদ ও নদীর পার্থক্য। যেহেতু এর শেষে আকার, একার কিছু নেই, সে জন্য এটি নদ। এভাবে নদ ও নদীর পার্থক্য ‘ঘাঘট’ স্ত্রী নাম জ্ঞাপক জলপ্রবাহ হলেও অন্তবর্ণ ‘ট’-এর পরে আ-কার, এ-কার নেই, তাই এটি নদ। নদ ও নদীর পার্থক্য
অনেকে নদ ও নদীর আরও একটি বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেন। সেটি হল – একটি সর্বদা পূর্ব-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয় এবং অন্যটি সর্বদা উত্তর-দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। নদীর প্রবাহদিক খেয়াল করে থাকলে নদের প্রবাহদিক অনুধাবন করা যায়। আবার কারও কারও মতে, নদের কোন শাখা বা উপশাখা হয় না। পুরুষবাচক নাম বলে হয়তো এমন ধারণা। তবে এর কোন ভিত্তি নেই। ব্রহ্মপুত্র নদ হলেও শাখা আছে। যেমন : শীতলক্ষ্যা ও যমুনা যদি ব্রহ্মপুত্রের শাখা। আসলে, নদ ও নদীর সঙ্গে শাখা থাকা না-থাকা নিয়ে কোন সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগত এবং ভারতীয় পুরাণ বা প্রচলিত প্রবাদের উপর নির্ভরশীল। আমাদের উপমহাদেশের সংস্কৃতিতে নদ ও নদীকে যথাক্রমে নারী ও পুরুষ হিসেবে ভাগ করার পেছনে পুরাণ, ধর্মীয় ও লোকজ বিশ্বাসের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। শাখা থাকুক আর নাই থাকুক, ব্রহ্মার পুত্র ব্রহ্মপুত্রকে মেয়ে ভাবার কোন সুযোগ নেই। তেমনি হিমালয়দুহিতা গঙ্গা, সে তো নারী ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। পারে কি? নদ ও নদীর পার্থক্য
————————————–
সর্বজনীন/সার্বজনীন
—————–
‘সর্বজনীন’ ও ‘সার্বজনীন’ উভয় শব্দ শুদ্ধ কিন্তু অর্থ ভিন্ন। তাই দুটো শব্দকে অভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা সমীচীন নয়। অনেকে ‘সর্বজনীন’ অর্থে ‘সার্বজনীন’ লিখে থাকেন। শব্দ দুটোর আভিধানিক অর্থ না-জানার জন্য এমন ভুল হয়। ‘সর্বজনীন’ শব্দের অর্থ ‘সকলের মঙ্গল বা সবার হিত বা কল্যাণ বা সকলের মঙ্গলের জন্য কৃত বা সকলের জন্য উদ্দিষ্ট’। যেমন :‘মানবাধিকার সর্বজনীন অধিকার হিসেব স্বীকৃত।’ অন্যদিকে, ‘সার্বজনীন’ শব্দের অর্থ ‘সবার মধ্যে প্রবীণ বা সবার মধ্যে শ্রেষ্ঠ’। যেমন: (১) নেলসন মেন্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার একজন সার্বজনীন নেতা। (২) সার্বজনীন দুর্গাপূজায় আপনাকে স্বাগত’। দ্বিতীয় বাক্যের অর্থ হচ্ছে : সর্বশ্রেষ্ঠ দুর্গাপূজায় আপনাকে স্বাগত। সুতরাং ‘সবার হিতের জন্য’ অর্থে ‘সকলের মধ্যে প্রবীণ বা সবার মধ্যে শ্রেষ্ঠ’ বলা বিধেয় নয়। অনেকে মনে করেন ‘সার্বজনীন’ শব্দটি ভুল কিন্তু এটি ভুল নয়। তবে ‘সর্বজনীন’ অর্থে সার্বজনীন’ শব্দের ব্যবহার কখন সমীচীন তা ভেবে দেখা প্রয়োজন
Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

How to find gmail password in mobile

To view the passwords you’ve saved, go to passwords.google.com. There, you’ll find a list of accounts with saved passwords. Note: If you use a sync passphrase, you won’t be able to see your passwords through this page, but you can see your passwords in Chrome’s settings.

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
WikiHowBD  Silver is feeling Happy
1 month ago

প্রমার স্বাস্থ্য রক্ষায় কোন দিনের খাবারটি অধিকতর সহায়ক? যুক্তিসহকারে বিশ্লেষণ কর

প্রমার স্বাস্থ্য রক্ষায় বৃহস্পতিবারের খাবারটি অধিকতর সহায়ক। কারণ একটি সুষম খাদ্যের তালিকায় যা যা থাকা দরকার তার সবগুলোই খাবারটিতে বিদ্যমান ছিল। সুষম খাদ্যের তালিকায় শর্করা, শাক-সবজি, ফলমূল, আমিষ এবং স্নেহ  বা চর্বি জাতীয় খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। প্রমার মা যে খিচুড়ি রান্না করেছিলেন তাতে চাল ও ডাল দিয়েছিলেন যা শর্করার বড় একটি উৎস। শর্করা মানুষের প্রধান খাদ্য। শর্করা আমাদের শরীরে কর্মশক্তি বৃদ্ধি করে  ও তাপশক্তি উৎপাদন করে।  খিচুড়িতে মাংস প্রোটিন ও ভিটামিনের উৎস। দেহ গঠনে প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেহের হাড়, পেশি, লোম, নখ গঠনে সহায়তা করে। উদ্ভিজ্জ ভোজ্য তেল স্নেহ জাতীয় খাবারের বড় একটি উৎস। উদ্ভিজ্জ ভোজ্য তেলে  প্রচুর ভিটামিন ই থাকে। স্নেহ জাতীয় খাদ্য শরীরের তাপশক্তির অপচয় রোধ করে। ত্বকের সজীবতা বজায় রাখে । খিচুড়িতে ব্যবহৃত সবজি খনিজ লবণ ও ভিটামিনের উৎস।

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
WikiHowBD  Silver is feeling Sad
1 month ago

প্রমার গৃহীত খাবারের একটি সুষম খাদ্য পিরামিড একে উপস্থাপন কর

প্রমার গৃহীত খাবারের একটি সুষম খাদ্য পিরামিড একে উপস্থাপন কর, নবম শ্রেণির বিজ্ঞান প্রথম সপ্তাহের উত্তর। Class 9 General Science assignment solution

 প্রমার গৃহীত খাবারের একটি সুষম খাদ্য পিরামিড একে উপস্থাপন কর হল

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
WikiHowBD  Silver is feeling Happy
1 month ago

উদ্ভিজ্জ উৎস ও প্রানিজ উৎস খাদ্যের তালিকা

প্রমার উল্লেখিত খাবারগুলোর মধ্যে কিছু খাবার উদ্ভিজ্জ এবং কিছু খাবার প্রানিজ উৎস থেকে পাওয়া যায়। নিচে উদ্ভিজ্জ উৎস ও প্রানিজ উৎস খাদ্যের তালিকা দেওয়া হলঃ

উদ্ভিজ্জ উৎস প্রানিজ উৎস
চাল, ডাল, সবজি, উদ্ভিজ্জভোজ্য তেল, পেয়ারা মাংস
Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
1

প্রমার গৃহীত খাবারগুলোর মধ্যে কোন খাবারটি ভিটামিন E সমৃদ্ধ

প্রমার গৃহীত খাবারগুলোর মধ্যে  উদ্ভিজ্জভোজ্য তেল  খাবারটি ভিটামিন E সমৃদ্ধ। উদ্ভিজ্জভোজ্য তেল ভিটামিন ই এর ভালো উৎস।

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry

৭ম শ্রেণির ইসলাম ধর্ম এসাইনমেন্ট উত্তর

***আল্লাহর একত্বাবাদের প্রমাণ***
একত্ববাদের আরবি প্রতিশব্দ হলো তাওহীদ। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহ তায়ালাকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে স্বীকার করে নেওয়াকে তাওহিদ বলা হয়। তাওহিদের মূল কথা হলো আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্ধিতীয়। তিনি তার সত্তা ও গুণাবলিতে অদ্ভিতীয়। তিনিই প্রশংসা ও ইবাদতের একমাত্র মালিক। তার তুলনীয় কেউ নেই।

আল্লাহ তায়ালা বলেন:- “বলুন, তিনিই আল্লাহ, এক ও অদ্বিতীয়।” সূরা আল-ইখলাস, আয়াত-১

আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিযিকদাতা ও ইবাদতের যোগ্য এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে বিশ্বাসের নামই তাওহিদ।ইমনের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান ৰিষয় হলো তাওহিদ। অর্থাৎ মুমিন ৰা মুসলিম হতে হলে একজন মানুষকে সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদে বিশ্বাস করতে হবে। তাওহিদে বিশ্বাস ব্যতীত কোনো ব্যক্তিই ইমান বা ইসলামে প্রবেশ করতে পারে না। ইসলামের সকল শিক্ষা ও আদর্শই তাওহিদের উপর প্রতিষ্ঠিত। দুনিয়াতে যত নবী-রাসুল এসেছেন সকলেই তাওহিদের দাওয়াত দিয়েছেন। সকলের দাওয়াতের মূলকথা ছিল – লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বা আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই। তাওহিদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠার জন্য নবী-রাসুলগণ আজীৰন সংগ্রাম করেছেন। হযরত ইবরাহিম (আ:) অগ্নিকুন্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন। আমাদের প্রিয় নবী (সা:) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছেন। বস্তুত, তাওহিদই হলো ইমানের মূল। ইসলামে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

আমরা একটু গভীরভাবে চিন্তা করি তবে দেখতে পাবো কত বিশাল এ বিশ্বজগৎ। আমাদের পৃথিবী এর সামান্য অংশমাত্র ৷ গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, নীহারিকা, গ্যালাক্সি এ বিশ্বজ্রগতে বিরাজমান । এগুলোর প্রত্যেকটি সু-শৃংখলভাবে ঘুরছে। কোনটি এর নিধাঁরিত নিয়মের বাইরে যাচ্ছে না। আমাদের পৃথিবী কত সুন্দর । এতে রয়েছে বিশাল আকাশ, বিস্তৃত মাঠ, বড পাহাড় পর্বত, প্রবাহমান নদী নালা, সাগর মহাসাগর । আল্লাহ তা’আলাই এসব কিছুর সৃষ্টিকর্তা ও নিয়ন্ত্রন কারী । মহাজগতের নিয়ম-শৃঙ্খলা তাঁরই দান । পৃথিবীর সকল কিছুর ইচ্ছা করেন তাই হয়। এ সবকিছুতে যদি একের বেশি নিয়ন্ত্রন কারী থাকতো, তবে নানা রকম বিশুঙ্খলা দেখা দিত।

এই বিষয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেন:- “যদি আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবীতে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ থাকতো তবে উভয়েই ধ্বংস হয়ে যেত।

— সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত-২২

বিশ্বে কি দু’জন ইলাহ থাকা সম্ভব? মানুষের বিবেক সর্বদা একথা স্বীকার করতে বাধ্য যে, এ বিশ্বে একজনই মাত্র ইলাহ আছেন। নতুবা যদি দুজন বা একাধিক ইলাহ থাকত – তর্কের খাতিরে ধরে নেয়া হলে- তাহলে প্রশ্ন দেখা দিতঃ যখন দুজনের মতে বিরোধ দেখা দিবে, বা দুজনই তাঁর নিজের ইচ্ছা পূরন করতে চাইবে তখন কি হবে? একজন একটি আদেশ দিবে আর অন্যজন এর বিপরীত আদেশ দিবে?! তখন একজনকেঅন্যজনের উপর জয়ী হতে হবে। আর একজন জয়ী হলে অন্যজন স্বাভাবিকভাবেই অক্ষম হবেন। আর একজন অক্ষম ব্যক্তি কি ইলাহ হতে পারেন? তাছাড়া একাধিক শ্রষ্টা থাকলে তারা তাদের সৃষ্টি কে নিয়ে আলাদা হয়ে যেতেন। যেমন আগুনের স্রষ্টা আগুন নিজ সৃষ্টি দ্বারা অন্যের উপর বিজয়ী হতে চাইতেন। সেরকম সূর্য দেবতা আলো দেওয়া বন্ধ করে দিতেন। অর্থ্যাৎ এভাবে ভাবলে দেখা যাবে প্রত্যেকটা জিনিসের একটি করে দেবতা তৈরি হবে। এবং তারা মারিমারিতে লিপ্ত হতো। ফলে আমাদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যেত। পৃথিবীর সকল কিছুই ধ্বংস হয়ে যেত। তাহলে একথা প্রমাণিত হলো যে, এ মহাবিশ্বে একজনই ইলাহ আছেন।

উপরের আলোচনা থেকে একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় ইলাহ মাত্র একজনই । আর তিনি হলেন আল্লাহ তায়ালা । তিনি সকল কিছুর স্রষ্টা, নিয়ন্ত্রক ও পালনকর্তা । তাঁর হুকুম ও নিয়মেই সবকিছু পরিচালিত হয়। কোন সৃষ্টিই এ নিয়মের ব্যতিক্রম করতে পারে না। এসব কাজে তিনি একক ও অদ্বিতীয় । আন্তরিকভাবে এরূপ বিশ্বাসের নামই তাওহীদ বা একত্ববাদ। আর আমাদের সকলকে এই তাওহীদে বিশ্বাস করতে হবে।

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
1

উদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য

উদ্ভিদ এবং প্রাণীর কোষগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি পার্থক্য এবং মিল রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, প্রাণীর কোষগুলিতে কোষ প্রাচীর বা ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে না তবে গাছের কোষগুলি থাকে। প্রাণীকোষগুলি বেশিরভাগ আকারে বৃত্তাকার এবং অনিয়মিত থাকে যখন উদ্ভিদের কোষগুলি স্থির, আয়তক্ষেত্রাকার আকার ধারণ করে।

উদ্ভিদ এবং প্রাণীর কোষ উভয়ই ইউক্যারিওটিক কোষ, তাই তাদের কোষের ঝিল্লির উপস্থিতি এবং কোষ অর্গানেলস যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের মতো সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

 

তুলনা রেখাচিত্র

উদ্ভিদ ঘরের তুলনা চার্ট বনাম অ্যানিম্যাল সেল
জন্তুর খাঁচা উদ্ভিদ কোষ
কোষ প্রাচীর অনুপস্থিত বর্তমান (সেলুলোজ গঠিত)
আকৃতি গোল (অনিয়মিত আকার) আয়তক্ষেত্রাকার (স্থির আকৃতি)
দেহাবয়বে বায়ু বা রসপূর্ণ গহ্বর এক বা একাধিক ছোট শূন্যস্থান (গাছের কোষের তুলনায় অনেক ছোট)। এক, বৃহত সেন্ট্রাল ভ্যাকুওল সেল ভলিউমের 90% অবধি গ্রহণ করে।
centrioles সমস্ত প্রাণী কোষে উপস্থিত কেবল নিম্ন গাছের ফর্মগুলিতে উপস্থিত (যেমন ক্ল্যামিডোমোনাস)
ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত উদ্ভিদ কোষগুলিতে নিজস্ব খাবার তৈরির জন্য ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে।
সাইতপ্ল্যাজ্ম বর্তমান বর্তমান
Ribosomes বর্তমান বর্তমান
মাইটোকনড্রিয়া বর্তমান বর্তমান
প্লাস্টিডের অনুপস্থিত বর্তমান
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (মসৃণ এবং রুক্ষ) বর্তমান বর্তমান
Peroxisomes বর্তমান বর্তমান
গলগি যন্ত্রপাতি বর্তমান বর্তমান
রক্তরস ঝিল্লি কেবল সেল ঝিল্লি কোষ প্রাচীর এবং একটি ঘর ঝিল্লি
মাইক্রোটিবুলস / মাইক্রোফিলামেন্টস বর্তমান বর্তমান
Flagella কিছু কোষে উপস্থিত (যেমন স্তন্যপায়ী শুক্রাণু কোষ) কিছু কোষে উপস্থিত (যেমন ব্রায়োফাইটস এবং টেরিডোফাইটস, সাইক্যাডস এবং জিঙ্কগো এর বীর্য)
Lysosomes লাইটোসোম সাইটোপ্লাজমে ঘটে। লাইসোসোমগুলি সাধারণত স্পষ্ট হয় না।
নিউক্লিয়াস বর্তমান বর্তমান
নেত্রলোম বর্তমান বেশিরভাগ উদ্ভিদ কোষে সিলিয়া থাকে না।

 

বিষয়বস্তু: উদ্ভিদ সেল বনাম অ্যানিমেল সেল

  • 1 সেল প্রাচীর
  • 2 ক্লোরোপ্লাস্ট
  • 3 সেন্ট্রিওল
  • 4 ভ্যাকুওলস
  • 5 লাইসোসোমস
  • উদ্ভিদ এবং প্রাণী কোষের 6 টি ছবি
  • 7 ভিডিও তুলনা উদ্ভিদ এবং প্রাণী কক্ষ
  • 8 উদ্ভিদ কোষের প্রকার
  • 9 তথ্যসূত্র

কোষ প্রাচীর

উদ্ভিদ কোষ এবং প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য হ’ল বেশিরভাগ প্রাণীর কোষ বৃত্তাকার এবং বেশিরভাগ উদ্ভিদ কোষগুলি আয়তক্ষেত্রাকার হয়। প্ল্যান্ট কোষগুলিতে একটি অনমনীয় কোষ প্রাচীর থাকে যা কোষের ঝিল্লিকে ঘিরে থাকে। পশুর কোষের কোষ প্রাচীর থাকে না। একটি মাইক্রোস্কোপের নীচে তাকানোর সময়, কোষ প্রাচীর গাছের কোষকে আলাদা করার একটি সহজ উপায়।

 

chloroplasts

গাছপালা অটোট্রোফ হয়; তারা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্যের আলো থেকে শক্তি উত্পাদন করে, যার জন্য তারা ক্লোরোপ্লাস্ট নামক কোষ অর্গানেল ব্যবহার করেন। প্রাণীর কোষগুলিতে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে না। প্রাণীর কোষগুলিতে, সেলুলার শ্বসন প্রক্রিয়াটির মাধ্যমে খাদ্য (গ্লুকোজ) থেকে শক্তি উত্পাদিত হয়। সেলুলার শ্বসন প্রাণীর কোষগুলিতে মাইটোকন্ড্রিয়ায় দেখা দেয়, যা কাঠামোগতভাবে কিছুটা ক্লোরোপ্লাস্টের সাথে কিছুটা অনুরূপ, এবং শক্তি উত্পাদন করার কার্য সম্পাদন করে। তবে উদ্ভিদের কোষগুলিতে মাইটোকন্ড্রিয়াও থাকে।

 

Centriole

সমস্ত প্রাণীর কোষগুলিতে সেন্ট্রিওল রয়েছে যেখানে কেবল কয়েকটি নিম্ন উদ্ভিদের ফর্মগুলির কোষগুলিতে সেন্ট্রিওল রয়েছে (যেমন চারোফাইট, ব্রায়োফাইটস, সিডলেস ভাস্কুলার উদ্ভিদ, সাইক্যাড এবং জিঙ্কগো) এর পুরুষ গেমেটগুলি।

Vacuoles

প্রাণীর কোষগুলিতে এক বা একাধিক ছোট শূন্যস্থান থাকে তবে উদ্ভিদ কোষগুলিতে একটি বৃহত কেন্দ্রীয় ভ্যাকুওল থাকে যা কোষের পরিমাণের 90% পর্যন্ত নিতে পারে। উদ্ভিদ কোষগুলিতে শূন্যতার কাজ হ’ল জল সঞ্চয় করা এবং কোষের ঘনত্ব বজায় রাখা। প্রাণীর কোষগুলিতে শূন্যস্থান জল, আয়ন এবং বর্জ্য সংরক্ষণ করে।

 

Lysosomes

লিজোসোম হ’ল একটি ঝিল্লী-বাঁধা গোলাকৃতির ভ্যাসিকাল যা হাইড্রোলাইটিক এনজাইম ধারণ করে যা বিভিন্ন ধরণের বায়োমোলিকুলকে ভেঙে ফেলতে পারে। এটি কোষ প্রক্রিয়াগুলিতে যেমন জড়িত, প্লাজমা ঝিল্লি মেরামত, কোষ সংকেতকরণ এবং শক্তি বিপাকের সাথে জড়িত। প্রাণী কোষগুলি স্পষ্টভাবে লাইসোসোম সংজ্ঞায়িত করেছে। বিতর্কের অধীনে উদ্ভিদের কোষে লিজোসোমের উপস্থিতি। কয়েকটি গবেষণায় উদ্ভিদের শূন্যস্থানগুলিতে পশুর লাইসোসোমের উপস্থিতি রয়েছে বলে উদ্ভিদ শূন্যস্থানগুলি প্রাণী লাইসোসমাল সিস্টেমের ভূমিকা পালন করার পরামর্শ দেয়।

 

উদ্ভিদ এবং প্রাণীর কোষের ছবি

একটি সাধারণ উদ্ভিদ ঘরের কাঠামো (প্রসারিত করতে ক্লিক করুন)

একটি সাধারণ প্রাণী কোষের কাঠামো (প্রসারিত করতে ক্লিক করুন)

উদ্ভিদ এবং প্রাণী কক্ষগুলির তুলনা করে ভিডিও

এই ভিডিওতে প্রাণী এবং গাছের কোষগুলির মধ্যে পার্থক্যগুলির সংক্ষিপ্তসার রয়েছে:

 

উদ্ভিদ এবং প্রাণীকোষের অর্গানেলগুলির মধ্যে পার্থক্যগুলি আরও গভীরভাবে দেখার জন্য, এই ভিডিওটি দেখুন।

উদ্ভিদ কোষের প্রকারভেদ

এটি বিভিন্ন ধরণের উদ্ভিদ কোষগুলির চিত্র, যার মধ্যে রয়েছে জাইলেম, ফ্লোয়েম, স্ক্লেরেনচাইমা এবং কোলেঞ্চাইমা।

তথ্যসূত্র

  • উইকিপিডিয়া: ইউকারিয়োট # অ্যানিম্যাল সেল
  • উইকিপিডিয়া: উদ্ভিদ কোষ
Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
WikiHowBD  Silver is feeling Happy
1 month ago

Did you have any experience on a journey by train

Answer 1

Yes. I do have an experience on a journey by train.Last year, I made a journey by train with my father. We went to visit our relatives in Kushtia. Actually, I sat by the window as consequently I could see the sublime beauty of the countryside. I saw paddy field, river and a lot of trees. Interestingly, I thought of walking from compartment to compartment but my father didn’t let me do that. However, It was a great experience for me and I will never forget it.

Answer 2
A journey by train is one of the most common ways to travel in modern civilization. But that does not mean that it is any less thrilling. It is a lovely experience. Indeed, travelling by train is always a joy to me. Whenever I go on a journey, my heart is filled with joy. I find it to be a magical experience full of wonders and delight.

Over the last summer break, our school was closed for ten days. My uncle is living in Sylhet. He came home on his leave. I asked him to take me back to Sylhet so I could travel and go sight-seeing on the lovely green hills. He agreed to take me to Sylhet with him and we decided to travel by a train.

The journey started with the loud whistles of the train and it slowly started moving. My mind was overflowing with joy. The train was moving along with its iconic ‘Jhik Jhik’ rhythm. I looked out through the glass. It even crossed a bridge across a river with a clattering noise. The passengers were talking inside the train and the hawkers were selling their goods.

Yet out there was the wonder of nature all around. I was delighted to see the huge fields of paddy. There were often domestic animals like cows and goats in the fields. There were even some children running around once in a while. It was afternoon by the time we reached our destination. Then we went out of the train and out of the station.

Answer 3
Yes. I do have an experience on a journey by train.
Last year, I made a journey by train with my father. We went to visit our relatives in Kushtia. Actually, I sat by the window as consequently I could see the sublime beauty of the countryside. I saw paddy field, river and a lot of trees. Interestingly, I thought of walking from compartment to compartment but my father didn’t let me do that.
However, It was a great experience for me and I will never forget it.

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry